ঢাকা চেম্বার ও কানাডার বাণিজ্য দপ্তরের বৈঠকে বক্তারা

কানাডার অটোমোটিভ শিল্পের বাজার হতে পারে বাংলাদেশ

অটোমোটিভ অর্থাৎ গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে কানাডা।

অটোমোটিভ অর্থাৎ গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে কানাডা। এজন্য নতুন বাজার অনুসন্ধান করছে দেশটির উদ্যোক্তারা। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হতে পারে একটি সম্ভাবনাময় বাজার।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেপুটি মিনিস্টার ও চিফ ট্রেড কমিশনার সারা উইলশোর মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। রাজধানীর গুলশানে ডিসিসিআই ভবনে আয়োজিত এ বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, ‘২০২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে এ দেশ কানাডা থেকে আমদানি করেছে ৯০১ দশমিক শূন্য ৯ মিলিয়ন ডলারের পণ্য ও রফতানি করেছে ১ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।

তিনি জানান, কানাডা এরই মধ্যে বাংলাদেশের ২০তম বৃহত্তম বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশে পরিণত হয়েছে, যেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩২ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ডলার।

এ সময় ডিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইসিটি ও ডিজিটাল অবকাঠামোসহ স্মার্ট লজিস্টিকস এবং কোল্ডচেইন ব্যবস্থাপনায় কানাডীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। বৈঠকে কানাডার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডেপুটি মিনিস্টার সারা উইলশো বলেন, ‘কানাডার বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই এসএমইভিত্তিক ও দেশটির মোট রফতানির ৭৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রমুখী। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে রফতানির বাজার ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো জরুরি।’

তিনি জানান, কানাডার শিক্ষা খাত বিশ্বে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে দুই দেশের মধ্যে যৌথ উদ্যোগের সুযোগ রয়েছে।

সারা উইলশো আরো বলেন, ‘কানাডার অটোমোটিভ শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি রয়েছে। নতুন বাজার অনুসন্ধানে তারা আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হতে পারে একটি সম্ভাবনাময় বাজার।’

বৈঠকে হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার হলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো এগিয়ে যাবে।’

বৈঠকে ডিসিসিআই সহসভাপতি মো. সালেম সোলায়মান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং কানাডার হাইকমিশনের কাউন্সিলর ও সিনিয়র ট্রেড কমিশনার ডেবরা বয়েসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও